পোর্শে কায়্যান ই-হাইব্রিড রিভিউ

language dropdown

এমন কোনও গাড়ির উন্নতিসাধন করা সর্বদাই একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, যেটি নিজেই একটি উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। পোর্শে হল তেমনই একটি গাড়ি।

expand ছবি দেখুন
2018'র সেপ্টেম্বর মাসে ভারতে পোর্শে কায়্যান ই-হাইব্রিড লঞ্চ করা হবে

এমন কোনও গাড়ির উন্নতিসাধন করা সর্বদাই একটা বড়ো চ্যালেঞ্জ, যেটি নিজেই একটি উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে। যেহেতু, এই কথাটি প্রায় স্বতঃসিদ্ধ বলে ধরেই নেওয়া হয় যে, নতুন প্রজন্ম, তার আগের প্রজন্মের থেকে অনেক ভালো হবে। নতুন থার্ড জেনারেশন পোর্শে কায়্যানের মধ্যে এই ব্যাপারটা পরিষ্কারভাবে খুঁজে পাওয়া যাবে। প্রায় সব বিভাগেই। তাই, এটা জানলে খুব চমক লাগবে না সম্ভবত যে, বিশ্বের বিলাসবহুল গাড়িগুলো নিয়ে যে ওয়ার্ল্ড লাক্সারি কার অব দ্য ইয়ার অ্যাওয়ার্ডের আয়োজন করা হয়, এটি তার মধ্যে প্রথম রানার-আপ হয়েছে। তাই, আমাকে যখন নতুন হাইব্রিড গাড়িটি চালানোর জন্য আমন্ত্রণ জানানো হল- ওহ, মাপ করবেন- ই হাইব্রিড-আমার প্রত্যাশা বেশ খানিকটা বেড়েই গিয়েছিল। এবং গাড়িটি চালাতে গিয়েও আমি একেবারেই নিরাশ হইনি। একমাত্র ওই সময়ের অবিরাম বৃষ্টিটা ছাড়া। কিন্তু নতুন পোর্শে কায়্যানটি যেন এইসবের জন্যই তৈরি। দেখতে সুন্দর, পারফরমেন্স ভালো, এমনকি এর আগের মডেলটির তুলনায় এটির কেবিনও অনেক বেশি চমৎকার।

কায়্যানের ই-হাইব্রিড 918 স্পাইডারের থেকে বুস্ট প্রিন্সিপ্যাল নীতিটা ব্যবহার করে। এর ফলে কম্বাইনিং ইলেকট্রিক এবং কমবাশন ইঞ্জিন পাওয়ার সৃষ্টি হওয়ার কারণে প্রবল গতিবেগ উৎপন্ন হয়। এই গাড়িতে আগেকার টরসেন পদ্ধতির বদলে হ্যাং-অন অল হুইল ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়। পোর্শের ইঞ্জিনিয়ারদের মতে, এর ফলে গাড়িটির পারফরমেন্স আরও উন্নত হবে। আরেকটি ব্যাপার হল, শুধু পোর্শের আস্তাবলেই নয়, ক্যায়্যান গোটা ভিডব্লিউ গ্রুপেরই প্রথম এসইউভি। আমার যাওয়ার পথটি ছিল খানাখন্দে ভরা বিশ্রী অবস্থায়। এর সঙগে যোগ করুন, প্রবল বৃষ্টি। যার ফলে, রাস্তা অত্যন্ত পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছিল। তা সত্ত্বেও, নিয়ন্ত্রণের অনুভূতিটি ছিল প্রকৃতপক্ষেই আশ্বস্ত করার মতো। 2007 এ প্রথম কায়্যান ই-হাইব্রিড প্রোটোটাইপটি লঞ্চ করার পর আরও অনেকটা পথ চলে এসেছে পোর্শে। ওই গাড়িটিতে নিকেল ধাতুর হাইড্রাইড ব্যাটারি ব্যবহার করা হত এবং ছিল 3.6 লিটারের ভি-6 পেট্রোল ইঞ্জিন একটি ইলেকট্রিক মোটরের সঙ্গে। তার মাইলেজ ছিল 10.2 কিমিপিএল। তারপর এল 2010 এর এস-হাইব্রিড। 3 লিটারের ছোটো ভি-6 ইঞ্জিন এবং একই ব্যাটারি নিয়ে। তার মাইলেজ ছিল 12.2  কিমিপিএল।  শেষ মডেলটি হল 2014’র এস ই-হাইব্রিড। লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি এবং 29.4 কিমিপিএল মাইলেজ নিয়ে।নতুন এই মডেলটি এদের সবার থেকেই বেশি ভালো। এর মাইলেজ হল 31.25 কিমিপিএল।         

0 Comments

 
 
 
 

অটো সংক্রান্ত সাম্প্রতিক খবর আর রিভিউস জানতে, লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube.